সাংবাদিকদের দ্বারস্থ দুই আসামি
নড়াইলে জমির মামলায় হয়রানির অভিযোগ
- আপডেট সময় : ১২:৪৯:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৬ বার পঠিত

নড়াইলে জমি-সংক্রান্ত বিরোধের জেরে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে দায়ের করা মামলায় হয়রানির শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলে সাংবাদিকদের দ্বারস্থ হয়েছেন দুই আসামি।
ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গত ১৬ সেপ্টেম্বর নড়াইলের চরবিলা গ্রামের মৃত আলহাজ্ব দাউদ মৌলানার ছেলে শহীদুল ইসলাম নড়াইলের বিজ্ঞ আমলী আদালতে তুলারামপুর ইউনিয়নের বামনহাট গ্রামের কমল রায়ের ছেলে অসিত রায় ও বাঘারপাড়া উপজেলার দত্তরাস্তা গ্রামের আক্কাস ড্রাইভারকে আসামি করে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইনে মামলা করেন।
মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, আসামি অসিত রায় ও আক্কাস ড্রাইভার পরস্পরের যোগসাজশে শহীদুল ইসলামের জমি জোরপূর্বক ভোগদখল করছেন। একই সঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যুতা, জাল-জালিয়াতি ও পরসম্পদ হরণসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ আনা হয়েছে।
তবে মামলার এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আসামি অসিত রায় ও আক্কাস ড্রাইভার। তারা দাবি করেন, তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে হয়রানিমূলক মামলা করা হয়েছে।
অসিত রায় সাংবাদিকদের বলেন, বাদী শহীদুল ইসলাম সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন অভিযোগ এনে আমাদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা করেছেন। আমাদের বিরুদ্ধে ভূমিদস্যু, পরধনলোভী ও দাঙ্গাবাজসহ বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ আনা হয়েছে। অথচ আমরা এলাকার সামাজিকভাবে সম্মানিত ব্যক্তি।
তিনি আরও বলেন, যে সম্পত্তির কথা উল্লেখ করে মামলা করা হয়েছে, সেই সম্পত্তির বৈধ কাগজপত্র ও অন্যান্য প্রমাণাদি আমাদের কাছে রয়েছে। এসব কাগজপত্র সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করছি এবং প্রয়োজনীয়ভাবে আদালতেও দাখিল করব। তিনি মামলাটির সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান এবং হয়রানি থেকে মুক্তির জন্য সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা কামনা করেন।
অন্য আসামি আক্কাস ড্রাইভার বলেন, আমাকে এই মামলায় আসামি করার বিষয়টি একেবারেই অযৌক্তিক। অসিত রায়ের সঙ্গে আমার ভালো সম্পর্ক রয়েছে। সেই কারণে আমাকে মামলায় আসামি করা হয়েছে বলে মনে করছি। আমরা মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা থেকে মুক্তি চাই। একই সঙ্গে বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
তাদের দাবি, জমি-সংক্রান্ত বিরোধের প্রকৃত ঘটনা তদন্ত করে নিরপেক্ষভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে তারা হয়রানি থেকে মুক্তি পাবেন।
এবিষয়ে মামলার বাদী শহীদুল ইসলামের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা ও মামলার পরবর্তী আইনগত অবস্থান সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারিক প্রক্রিয়ায় নির্ধারিত হবে।






















