ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৮ জুন ২০২৬, ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ

  • দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬
  • ২৫ ভার পঠিত

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে নিজ বাড়ির মসজিদের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে আনা হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে। সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং টানা দীর্ঘ সময়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি সর্বশেষ দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।

ট্যাগস :
জনপ্রিয় সংবাদ

মা ও স্ত্রীর পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন তোফায়েল আহমেদ

আপডেট সময় : ০৬:১৭:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জুন ২০২৬

বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য তোফায়েল আহমেদের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। ভোলা সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের কোড়ালিয়া গ্রামে পারিবারিক কবরস্থানে মা ও স্ত্রীর কবরের পাশে তাকে দাফন করা হয়।

মঙ্গলবার (২ জুন) বিকেল ৪টা ১০ মিনিটে নিজ বাড়ির মসজিদের সামনে তার দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ভোলা সদর, বোরহানউদ্দিন ও দৌলতখান উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ অংশ নেন। পরে বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তাকে দাফন করা হয়।

স্থানীয় সূত্র জানায়, দুপুর পৌনে ২টার দিকে ঢাকা থেকে হেলিকপ্টারে করে তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ভোলার বীরশ্রেষ্ঠ মোস্তফা কামাল বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন হেলিপ্যাডে আনা হয়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নিয়ে যাওয়া হয় ভোলা সরকারি স্কুল মাঠে। সেখানে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর সোমবার (১ জুন) বিকেল সাড়ে ৩টায় ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর।

তোফায়েল আহমেদ ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক ছিলেন। মাত্র ২৭ বছর বয়সে ১৯৭০ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের সদস্য (এমএনএ) নির্বাচিত হন। তিনি ১৯৬৭ থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

রাজনৈতিক জীবনে তিনি একাধিকবার মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং টানা দীর্ঘ সময়ে জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। নয়বারের সংসদ সদস্য তোফায়েল আহমেদ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি সর্বশেষ দলের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য ছিলেন।