ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেনেড বাবুর সৎ ভাই গ্রেপ্তার

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • / ৫৩ বার পঠিত

খুলনা মহানগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী বাবু ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’র বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তার সৎ ভাই মাহামুদুন চৌধুরী জনিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী খুলনা নগরীর সংশ্লিষ্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে জনির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা আটকের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত কুমার বর্মন বলেন, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান শেষে জনি নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর নেতৃত্বাধীন ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচিত একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগরীতে হত্যা, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। খুলনা সদর থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের মধ্যে তার নাম অন্যতম।

এদিকে, মাহামুদুন চৌধুরী জনির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে তিনি মোংলা বন্দর কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিঅ্যান্ডএফ) ভবন দখল করেছিলেন। সংগঠনটির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি নিজেকে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খুলনা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) রেজাউর রহমান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে হরিণটানা থানার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন মোল্লা, সোনাডাঙ্গা থানার রনি শেখ ওরফে কাবুসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

অভিযানে অংশ নেওয়া যৌথ বাহিনীর একটি সূত্র দাবি করেছে, মাহামুদুন চৌধুরী জনিকে ছাড়িয়ে নিতে বিকাল থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে রাজনৈতিক তদবির শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।

ট্যাগস :

যৌথ বাহিনীর অভিযানে গ্রেনেড বাবুর সৎ ভাই গ্রেপ্তার

আপডেট সময় : ১০:২৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

খুলনা মহানগর পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী রনি চৌধুরী বাবু ওরফে ‘গ্রেনেড বাবু’র বাড়িতে অভিযান চালিয়েছে যৌথ বাহিনী। এ সময় তার সৎ ভাই মাহামুদুন চৌধুরী জনিকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে প্রায় আধা ঘণ্টাব্যাপী খুলনা নগরীর সংশ্লিষ্ট এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে জনির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ বা আটকের কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানায়নি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

খুলনা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) অমিত কুমার বর্মন বলেন, সন্ত্রাসী ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযানের অংশ হিসেবে গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযান শেষে জনি নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে পরে বিস্তারিত জানানো হবে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তথ্য অনুযায়ী, রনি চৌধুরী ওরফে গ্রেনেড বাবুর নেতৃত্বাধীন ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচিত একটি সন্ত্রাসী গ্রুপের বিরুদ্ধে খুলনা মহানগরীতে হত্যা, মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। খুলনা সদর থানা পুলিশের তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীদের মধ্যে তার নাম অন্যতম।

এদিকে, মাহামুদুন চৌধুরী জনির বিরুদ্ধেও বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, ভাইয়ের প্রভাব খাটিয়ে তিনি মোংলা বন্দর কাস্টমস এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের (সিঅ্যান্ডএফ) ভবন দখল করেছিলেন। সংগঠনটির সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও সম্প্রতি নিজেকে অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ঘোষণা করেছিলেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

খুলনা মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) রেজাউর রহমান জানান, নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার রাতে হরিণটানা থানার শীর্ষ সন্ত্রাসী ইমন মোল্লা, সোনাডাঙ্গা থানার রনি শেখ ওরফে কাবুসহ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় গ্রেনেড বাবুর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে একজনকে আটক করা হয়। আটক ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পরে সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।

অভিযানে অংশ নেওয়া যৌথ বাহিনীর একটি সূত্র দাবি করেছে, মাহামুদুন চৌধুরী জনিকে ছাড়িয়ে নিতে বিকাল থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে রাজনৈতিক তদবির শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো কর্মকর্তা আনুষ্ঠানিকভাবে মন্তব্য করতে রাজি হননি।