ঢাকা ১২:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে মাদক মামলায় সোহাগের ৭ বছরের কারাদণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬
  • / ৪৫ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে সাড়ে তিনশ (৩৫০) বোতল ফেনসিডিলসহ আটক সোহাগ হোসেন মোতাহারকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার যশোরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক কাজী কামরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সোহাগ হোসেন মোতাহার মণিরামপুর উপজেলার শেখপাড়া খানপুর গ্রামের শাখাওয়াতের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার শাহরিয়ার ইবনে আজাদ।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার পুলিশ জানতে পারে, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থেকে একটি আলমসাধুতে করে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল কেশবপুরের দিকে আনা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সরসকাঠি বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। সকাল ১০টার দিকে সোহাগ হোসেন মোতাহারকে আলমসাধু চালিয়ে আসতে দেখে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে আলমসাধুর পাটাতনের নিচে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কেশবপুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুব্রত কুমার সরদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের দিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

ট্যাগস :

যশোরে মাদক মামলায় সোহাগের ৭ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

যশোরের কেশবপুর উপজেলার সাতবাড়িয়া এলাকা থেকে সাড়ে তিনশ (৩৫০) বোতল ফেনসিডিলসহ আটক সোহাগ হোসেন মোতাহারকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

রোববার যশোরের স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক কাজী কামরুল ইসলাম এ রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত সোহাগ হোসেন মোতাহার মণিরামপুর উপজেলার শেখপাড়া খানপুর গ্রামের শাখাওয়াতের ছেলে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পেশকার শাহরিয়ার ইবনে আজাদ।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কেশবপুর থানার পুলিশ জানতে পারে, সাতক্ষীরা জেলার কলারোয়া থেকে একটি আলমসাধুতে করে বিপুল পরিমাণ ফেনসিডিল কেশবপুরের দিকে আনা হচ্ছে। খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল সরসকাঠি বাজার এলাকায় অবস্থান নেয়। সকাল ১০টার দিকে সোহাগ হোসেন মোতাহারকে আলমসাধু চালিয়ে আসতে দেখে পুলিশ থামার সংকেত দেয়। এ সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলেও ব্যর্থ হন। পরে আলমসাধুর পাটাতনের নিচে তল্লাশি চালিয়ে ৩৫০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় কেশবপুর থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক (এসআই) আসাদুল ইসলাম বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে একই বছরের ১ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুব্রত কুমার সরদার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রায়ের দিন আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। রায় ঘোষণার পর আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।