ঢাকা ১১:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয়

দোহাকুলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী রবীন অধিকারী

বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি
  • আপডেট সময় : ১০:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / ১৭ বার পঠিত

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৬ নম্বর দোহাকুলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে শ্রী রবীন অধিকারীকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রবীন অধিকারী নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা শ্রী রবীন অধিকারী, পিতা শ্রী খোকন অধিকারী। বর্তমানে তিনি দোহাকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দোহাকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন রবীন অধিকারী। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কালুডাঙ্গা মহাশ্মশান ও শিবঠাকুরের তীর্থস্থানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।

রবীন অধিকারীর দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময়ে তাকে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকারের সময়ে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়। একই সময়ে দোহাকুলা ইউনিয়নের বিভিন্ন বিএনপি পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সংগঠনের অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি জানান।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

রবীন অধিকারী বলেন, “একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের অধিকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব। আমি শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, দোহাকুলা ইউনিয়নকে আধুনিক, উন্নত, শিক্ষিত, দুর্নীতিমুক্ত ও স্বাবলম্বী মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে দল-মত ও ভেদাভেদ ভুলে ইউনিয়নের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দোহাকুলা ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকা, কর্মপরিকল্পনা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে চলছে আলোচনা। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কারা থাকছেন এবং ভোটাররা কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয়দের।

ট্যাগস :

উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জনসেবাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রত্যয়

দোহাকুলায় চেয়ারম্যান প্রার্থী রবীন অধিকারী

আপডেট সময় : ১০:২১:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলার ৬ নম্বর দোহাকুলা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হিসেবে শ্রী রবীন অধিকারীকে নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত রবীন অধিকারী নির্বাচিত হলে ইউনিয়নের উন্নয়ন, নাগরিক সেবা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।

বোয়ালিয়া গ্রামের বাসিন্দা শ্রী রবীন অধিকারী, পিতা শ্রী খোকন অধিকারী। বর্তমানে তিনি দোহাকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও বাঘারপাড়া উপজেলা বিএনপির সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি দোহাকুলা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এবং বাঘারপাড়া উপজেলা কৃষক দলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডেও সম্পৃক্ত রয়েছেন রবীন অধিকারী। তিনি বাঘারপাড়া উপজেলা পূজা উদযাপন ফ্রন্টের সিনিয়র সহ-সভাপতি এবং কালুডাঙ্গা মহাশ্মশান ও শিবঠাকুরের তীর্থস্থানের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বলে জানান।

রবীন অধিকারীর দাবি, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে বিভিন্ন সময়ে তাকে প্রতিকূল পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন সরকারের সময়ে তার বিরুদ্ধে আটটি মামলা হয়। একই সময়ে দোহাকুলা ইউনিয়নের বিভিন্ন বিএনপি পরিবারের পাশে থেকে সহযোগিতা করার পাশাপাশি সংগঠনের অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠার সঙ্গে পালনের চেষ্টা করেছেন বলেও তিনি জানান।

চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হলে যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণ, ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতকরণ, শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি এবং শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি।

রবীন অধিকারী বলেন, “একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো নির্মাণের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। মানুষের অধিকার ও নাগরিক সেবা নিশ্চিত করাই জনপ্রতিনিধির প্রধান দায়িত্ব। আমি শাসক নয়, জনগণের সেবক হিসেবে কাজ করতে চাই।”

তিনি আরও বলেন, দোহাকুলা ইউনিয়নকে আধুনিক, উন্নত, শিক্ষিত, দুর্নীতিমুক্ত ও স্বাবলম্বী মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলাই তার লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে দল-মত ও ভেদাভেদ ভুলে ইউনিয়নের মানুষের সম্মিলিত অংশগ্রহণকে গুরুত্ব দেওয়ার কথাও জানান তিনি।

এদিকে আসন্ন নির্বাচনকে ঘিরে দোহাকুলা ইউনিয়নে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বাড়ছে। স্থানীয় ভোটারদের মধ্যে প্রার্থীদের রাজনৈতিক ও সামাজিক ভূমিকা, কর্মপরিকল্পনা এবং ইউনিয়নের উন্নয়ন ভাবনা নিয়ে চলছে আলোচনা। শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে কারা থাকছেন এবং ভোটাররা কাকে তাদের প্রতিনিধি হিসেবে বেছে নেন—সেদিকেই এখন নজর স্থানীয়দের।