ঢাকা ১২:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বেড়েছে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান

যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমে ৬৬.২৭ শতাংশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ১০:৪৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১১ বার পঠিত

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশে। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে পাসের হার। বেড়েছে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর যশোর শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮৮ হাজার ৯৭ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৩৪ হাজার ১৭ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ৮৩৪ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৯ হাজার ২৪৬ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়া ১১ হাজার ৪৭৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগেই রয়েছে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮০৯ জন ছেলে ও ৫ হাজার ৩২৭ জন মেয়ে। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৯ জন ছেলে ও ৭৯২ জন মেয়ে। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯ জন ছেলে ও ২৩২ জন মেয়ে।

গত বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৪১০ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ৯৩২ জন।

শুধু পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেনি, বেড়েছে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। গত বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল দুটি। এবার তা বেড়ে হয়েছে ১১টি।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আব্দুল মতিন বলেন, শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ থেকে বোর্ড বেরিয়ে এসেছে। ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণে এবার পাসের হার কমেছে। তবে সার্বিক ফলাফল সন্তোষজনক।

শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস :

বেড়েছে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠান

যশোর শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমে ৬৬.২৭ শতাংশ

আপডেট সময় : ১০:৪৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় যশোর শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬৬ দশমিক ২৭ শতাংশে। একই সঙ্গে কমেছে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও। গত বছরের তুলনায় এবার প্রায় ৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট কমেছে পাসের হার। বেড়েছে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। সোমবার (১০ আগস্ট) এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর যশোর শিক্ষা বোর্ডের দেওয়া তথ্য থেকে এসব জানা গেছে।

বোর্ড সূত্রে জানা যায়, এ বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৩২ হাজার ৯৪০ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে পাস করেছে ৮৮ হাজার ৯৭ জন। এ বছর জিপিএ-৫ পেয়েছে ১১ হাজার ৪৭৮ জন।

বিভাগভিত্তিক ফলাফলে বিজ্ঞান বিভাগে পাস করেছে ৩৪ হাজার ১৭ জন, মানবিক বিভাগে ৪৪ হাজার ৮৩৪ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ৯ হাজার ২৪৬ জন।

জিপিএ-৫ পাওয়া ১১ হাজার ৪৭৮ শিক্ষার্থীর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগেই রয়েছে সবচেয়ে বেশি শিক্ষার্থী। এ বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৮০৯ জন ছেলে ও ৫ হাজার ৩২৭ জন মেয়ে। মানবিক বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৯ জন ছেলে ও ৭৯২ জন মেয়ে। আর ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৩৯ জন ছেলে ও ২৩২ জন মেয়ে।

গত বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৭৩ দশমিক ৬৯ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিল ১৫ হাজার ৪১০ জন। ফলে এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে ৭ দশমিক ৪২ শতাংশীয় পয়েন্ট এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমেছে ৩ হাজার ৯৩২ জন।

শুধু পাসের হার ও জিপিএ-৫ কমেনি, বেড়েছে কোনো শিক্ষার্থী পাস না করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। গত বছর যশোর শিক্ষা বোর্ডে শূন্য পাসের প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল দুটি। এবার তা বেড়ে হয়েছে ১১টি।

যশোর শিক্ষা বোর্ডের সচিব প্রফেসর আব্দুল মতিন বলেন, শিক্ষার্থীদের উত্তরপত্র যথাযথভাবে মূল্যায়ন করা হয়েছে। ‘অসুস্থ প্রতিযোগিতা’ থেকে বোর্ড বেরিয়ে এসেছে। ইংরেজি ও গণিতে শিক্ষার্থীদের দুর্বলতার কারণে এবার পাসের হার কমেছে। তবে সার্বিক ফলাফল সন্তোষজনক।

শূন্য পাসের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বিষয়ে তিনি বলেন, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। তদন্তের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।