জনবান্ধব ভূমিসেবায় প্রশংসিত নড়াইল সদরের এসিল্যান্ড তাসফিকুর
- আপডেট সময় : ০৯:৪০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ৮ বার পঠিত

নড়াইল সদর উপজেলা ভূমি অফিসে জনবান্ধব, দ্রুত ও স্বচ্ছ ভূমিসেবা নিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এইচ তাসফিকুর রহমান। তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে ভূমিসংক্রান্ত বিভিন্ন সেবা নির্ধারিত সময়ে সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের ভোগান্তি অনেকটাই কমেছে বলে জানিয়েছেন সেবাগ্রহীতারা।
গত ২২ ডিসেম্বর ২০২৫ সালে নড়াইল সদর উপজেলা ভূমি অফিসে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নামজারি, খারিজ, ভূমি উন্নয়ন কর, রেকর্ড সংশোধন, শুনানি ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রমে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছেন তিনি। এতে সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে।
নড়াইল সদর পৌরসভার কুড়িগ্রাম এলাকার সেবাগ্রহীতা সজল মাহমুদ বলেন, “আমার জমির নামজারির জন্য আবেদন করার অল্প সময়ের মধ্যেই কোনো ধরনের হয়রানি বা অতিরিক্ত ভোগান্তি ছাড়াই নামজারি সম্পন্ন হয়েছে। পরে প্রয়োজনীয় কাগজপত্রও হাতে পেয়েছি।”
শেখহাটি ইউনিয়নের দেবভোগ গ্রামের বীনা মৈত্র বলেন, “জমির রেকর্ড সংশোধনের জন্য ভূমি অফিসে আবেদন করেছিলাম। আবেদন করার পর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুত, সহজ ও আন্তরিকভাবে সেবা পাওয়ায় আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট।”
সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এইচ তাসফিকুর রহমান বলেন, “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও জনবান্ধব সেবা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। আমি যোগদানের পর ৭৭টি মৌজার জেএল নম্বর ও রেকর্ড সংশোধন করা হয়েছে। জনগণ যেন দ্রুত ও নির্বিঘ্নে ভূমিসেবা পান, সে লক্ষ্যে আমরা সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি।”
ভূমি অফিসের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহকালে সেবাগ্রহীতারা এসিল্যান্ডের পাশাপাশি দপ্তরে কর্মরত নামজারি সহকারী মো. শামস ইয়াসরীব (লাবিদ)-এরও ব্যাপক প্রশংসা করেন। তাঁদের মতে, কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে ভূমি অফিসে সেবা গ্রহণের পরিবেশ আগের তুলনায় আরও সহজ হয়েছে।
ভূমি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ পর্যন্ত ‘খ’ তফসিলভুক্ত ২ দশমিক ১৭ একর জমির নামজারি করা হয়েছে। এছাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) কে এইচ তাসফিকুর রহমান প্রায় ৪০০টিরও বেশি মিসকেস নিষ্পত্তি করেছেন।
সেবাগ্রহীতাদের প্রত্যাশা, ভূমি অফিসের এ ধরনের জনবান্ধব কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে ভূমিসেবা নিতে গিয়ে সাধারণ মানুষের হয়রানি ও ভোগান্তি আরও কমবে। পাশাপাশি ভূমি ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা প্রতিষ্ঠার পথও আরও সুগম হবে।



















