গভীর রাতে গৃহবধূকে কুপিয়ে জখম, আতঙ্কে পরিবারসহ এলাকা ছাড়া
- আপডেট সময় : ০৮:৩৭:০৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ অগাস্ট ২০২৬
- / ৩০ বার পঠিত

যশোর সদর উপজেলার কচুয়া এলাকায় গভীর রাতে বসতবাড়িতে ঢুকে এক গৃহবধূকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম এবং স্বর্ণালংকার ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আহত গৃহবধূর স্বামী সেলিম রেজা (৪৩) পাঁচজনের বিরুদ্ধে যশোরের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলা করেছেন।
মামলার আসামিরা হলেন মাহাবুব আলম শান্ত (৪৫), শাহাদৎ হোসেন (৪০), গোলাম হোসেন (৫৫), রোমান হোসেন (২৮) ও রকি হোসেন।
মামলার আরজিতে বাদী অভিযোগ করেন, গত ১৫ আগস্ট রাত আনুমানিক দেড়টার দিকে তাঁর স্ত্রী মনিরা বেগম বাড়ির বাইরে বাথরুম থেকে ফেরার সময় প্রথম আসামি তাঁকে ডাক দেন। একপর্যায়ে তাঁকে মারধর শুরু করা হয়। স্ত্রীকে মারধরে বাধা দিলে সেলিম রেজাকেও মারধর করা হয়। পরে হত্যার উদ্দেশ্যে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে কুপিয়ে জখম করা হয় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, একপর্যায়ে আসামিরা ঘরে ঢুকে একটি পেনড্রাইভ খুঁজতে থাকে। পরে শোকেসের ড্রয়ারে রাখা দুটি সোনার রুলি, একটি সোনার চেইন, এক জোড়া সোনার কানের দুল ও নগদ ৩০ হাজার টাকা নিয়ে যায়। আহতদের চিৎকারে পরিবারের অন্য সদস্যরা এগিয়ে এলে আসামিরা মামলা তুলে না নিলে পরিবারের সবাইকে হত্যার হুমকি দিয়ে চলে যায় বলেও মামলার আরজিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
পরে আহত মনিরা বেগমকে যশোর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
আহত গৃহবধূ মনিরা বেগম অভিযোগ করেন, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এর আগেও গভীর রাতে তাঁকে হাত-পা বেঁধে মারধর করেছিল এলাকার কয়েকজন দুর্বৃত্ত। ওই ঘটনায় আদালতে মামলা করা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন অপরাধের তথ্যসংবলিত কিছু নথি একটি পেনড্রাইভে তাঁর কাছে সংরক্ষিত ছিল। আসামিরা ওই পেনড্রাইভের বিষয়ে জানতে পেরে সেটি নিতে গত ১৫ আগস্ট রাতে বাড়িতে হামলা চালায় বলে তাঁর অভিযোগ।
তিনি বলেন, পেনড্রাইভটি দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাঁকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করা হয়। এ সময় বাড়িতে লুটপাট ও ভাঙচুর চালানো হয়। পরে প্রাণভয়ে দুই সন্তানকে নিয়ে তিনি এলাকা ছেড়ে অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে মামলার আসামিদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। মামলাটি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।




















