মাছ লুটের প্রতিবাদে যুবকের ওপর হামলা, থানায় মামলা
- আপডেট সময় : ০৫:৫৭:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
- / ১১৭ বার পঠিত

যশোরের কেশবপুরে শরিকানা পুকুর থেকে মাছ লুটের প্রতিবাদ করায় এক যুবককে হাতুড়ি, লোহার রড ও জিআই পাইপ দিয়ে পিটিয়ে হত্যার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ সময় তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসা এক তরুণীকেও মারধর ও শ্লীলতাহানির পাশাপাশি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
গত ৮ জুন সকালে উপজেলার মঙ্গলকোট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত মো. সজল হোসেন (২৩) বর্তমানে কেশবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় সজলের পিতা মো. জহুরুল ইসলাম বাদী হয়ে ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ১০-১২ জনের বিরুদ্ধে কেশবপুর থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলকোট দক্ষিণপাড়া গ্রামের জহুরুল ইসলামের শরিকানা পুকুর থেকে অভিযুক্ত রোমান হোসেন, আব্দুল কালাম বিশ্বাস, রিফাত হোসেনসহ কয়েকজন জোরপূর্বক প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের রুই, কাতলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরে নিয়ে যায়। পরে জহুরুল ইসলাম ও তার ছেলে সজল হোসেন মাছ নেওয়ার কারণ জানতে চাইলে অভিযুক্তরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
অভিযোগে বলা হয়, আব্দুল কালাম বিশ্বাসের নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র, লোহার রড, জিআই পাইপ, শেকল ও হাতুড়ি নিয়ে সজল হোসেনের ওপর হামলা চালায়। এ সময় রোমান হোসেন লোহার রড দিয়ে সজলের মাথায় আঘাত করলে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে অন্য অভিযুক্তরা হাতুড়ি ও বিভিন্ন অস্ত্র দিয়ে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।
সজলকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তার ভাইঝি আলিফা খাতুন (১৮) হামলার শিকার হন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। হামলাকারীরা তাকে মারধর ও শ্লীলতাহানি করে এবং তার গলা থেকে প্রায় ৯০ হাজার টাকা মূল্যের একটি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেয় বলে দাবি করা হয়েছে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেন। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, হামলাটি পূর্বপরিকল্পিত এবং তারা বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এলাকাবাসী দ্রুত অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে কেশবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বলেন, “অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”























