কুয়াদায় মাদকসহ দুই কারবারী আটক
- আপডেট সময় : ০৮:৫৩:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ১৪ বার পঠিত

যশোরের মণিরামপুর উপজেলার কুয়াদা বাজারের বলিয়ানপুর সড়কে ৭ বোতল অ্যালকোহলসহ দুই মাদককারবারীকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। পরে তাদেরকে মণিরামপুর থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় সিরাজসিঙ্গার গ্রামের রমজান নামে আরও এক মাদককারবারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আটক দুই মাদককারবারীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৭ দিনের কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে।
আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন, মনিরামপুরের বেগারীতলা টুনিয়াঘর এলাকার আহাদ আলীর ছেলে রিকশা চালক আসিফ (৪০) ও সদর রামনগরের বাহিরমল্লিক এলাকার মৃত সামাদ মোল্যার ছেলে নার্সারি ব্যবসায়ী বাবু মোল্যা (৩৮) ।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রিকশাচালক আসিফ রিকশাযোগে দুই কার্টুন মাল নিয়ে কুয়াদা বাজারের বলিয়ানপুর সড়কে আসেন। পরে তিনি নার্সারি ব্যবসায়ী বাবু মোল্যার কাছে যান। এ সময় স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তারা রিকশাটি থামিয়ে তল্লাশি করেন। তল্লাশির একপর্যায়ে রিকশা থেকে ৭ বোতল অ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়। তখন স্থানীয় জনতা আসিফ ও বাবু মোল্যাকে আটকে রাখেন। ওই সময় ঘটনাস্থলে থাকা সিরাজসিঙ্গার গ্রামের রমজান নামে ব্যক্তি কৌশলে পালিয়ে যায়।
পরে স্থানীয়রা মণিরামপুর থানা পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আটক দুই ব্যক্তিকে হেফাজতে নেয় এবং উদ্ধার হওয়া ৭ বোতল অ্যালকোহল জব্দ করে। এই ঘটনায় তাৎক্ষণিক মনিরামপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে আটক আসিফ ও বাবু মোল্লাকে ৭ দিনের কারা দণ্ডসহ ১০০ টাকা করে জরিমানা করা হয়।
মণিরামপুর থানার উপ-পরিদর্শক (নিঃ) ওবায়দুর রহমান জানান, স্থানীয় জনতা দুই ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের হেফাজতে নেয়। তাদের কাছ থেকে ৭ বোতল অ্যালকোহল উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে কুয়াদা বাজার কমিটির সদস্য আব্দুল গাফফার ও স্থানীয় নার্সারি ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক রাসেল হোসেন বলেন, কুয়াদা বাজারের বলিয়ানপুর সড়ক দিয়ে নিয়মিত ইয়াবা,গাঁজা ও অ্যালকোহলসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের সরবরাহের অভিযোগ রয়েছে। এতে স্থানীয়রা উদ্বিগ্ন। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার তরুণ সমাজ মাদকে আসক্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এলাকাবাসী জানান, কুয়াদা বাজার ও আশপাশের এলাকায় মাদকদ্রব্যের সরবরাহ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদক সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি ও জানিয়েছেন তারা।























