
ষাটের দশকের গণআন্দোলন, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান ও মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, বর্ষীয়ান রাজনীতিক তোফায়েল আহমেদকে নিজ জেলা ভোলায় দাফন করা হবে। মঙ্গলবার (২ জুন) বাদ জোহর দ্বিতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে সমাহিত করা হবে। সোমবার (১ জুন) পারিবারিক সূত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিবারের সদস্যরা জানান, রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করার পর তোফায়েল আহমেদের মরদেহ ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদে নেওয়া হয়েছে। সেখানে বাদ মাগরিব প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। জানাজা শেষে মরদেহ স্কয়ার হাসপাতালের হিমঘরে সংরক্ষণ করা হবে।
মঙ্গলবার সকালে মরদেহ ভোলায় নেওয়া হবে। সেখানে বাদ জোহর ভোলা জেলা স্কুল মাঠে দ্বিতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
এর আগে সোমবার বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তোফায়েল আহমেদ। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮২ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন। তিনি এক কন্যাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী, রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও শুভানুধ্যায়ী রেখে গেছেন।
স্কয়ার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নিউমোনিয়াজনিত শ্বাসকষ্ট, হৃদরোগ ও শারীরিক দুর্বলতা নিয়ে গত বছরের ২৪ সেপ্টেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন তোফায়েল আহমেদ। আইসিইউ সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. রায়হান রাব্বানীর নিবিড় তত্ত্বাবধানে তার চিকিৎসা চলছিল। চিকিৎসকদের দীর্ঘদিনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
তোফায়েল আহমেদের মৃত্যুতে রাজনৈতিক অঙ্গনসহ বিভিন্ন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম এবং জাতীয় রাজনীতিতে তার দীর্ঘ অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সাধারণ মানুষ।
























