
বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাশরুম একটি জনপ্রিয় ও পুষ্টিকর খাদ্য হিসেবে পরিচিত। গবেষণায় দেখা গেছে, কিছু ভোজ্য মাশরুম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, হজমশক্তি বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য দূরীকরণ এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, প্রকৃতিতে থাকা সব মাশরুম খাওয়ার উপযোগী নয়। বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার প্রজাতির মাশরুম রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষের জন্য ক্ষতিকর। উত্তর আমেরিকায় ১০ হাজারেরও বেশি প্রজাতির মাশরুমের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে। এর মধ্যে প্রায় ২০ শতাংশ মাশরুম খেলে মানুষ অসুস্থ হতে পারে এবং প্রায় ১ শতাংশ প্রজাতি প্রাণঘাতী বিষক্রিয়ার কারণ হতে পারে।
বাংলাদেশে সাধারণত ৮ থেকে ১০ ধরনের ভোজ্য মাশরুমের চাষ হয়। তবে দেশের বিভিন্ন এলাকায় স্বাভাবিকভাবে জন্মানো বুনো মাশরুম বা ‘ব্যাঙের ছাতা’ নামে পরিচিত অনেক প্রজাতি শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
ড. খালেদা ইসলাম বলেন, পরিচিত ও পরীক্ষিত জাতের বাইরে কোনো মাশরুম, বিশেষ করে বুনো মাশরুম খাওয়া উচিত নয়। কারণ দেখতে একই রকম হলেও অনেক বিষাক্ত মাশরুমকে সাধারণ ভোজ্য মাশরুম থেকে আলাদা করা কঠিন।
তার মতে, বুনো মাশরুমে এমন কিছু বিষাক্ত ছত্রাক থাকতে পারে, যা মানবদেহের লিভার ও কিডনির মারাত্মক ক্ষতি করতে সক্ষম। অনেক ক্ষেত্রে এসব বিষক্রিয়া প্রাণহানির কারণও হতে পারে। তাই বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিচ্ছেন, শুধুমাত্র নির্ভরযোগ্য উৎস থেকে সংগ্রহ করা এবং চাষকৃত ও পরীক্ষিত মাশরুমই খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
তথ্যসূত্র:বিবিসি বাংলা


























