ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদ্-দ্বীনের সেবা বন্ধ, ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৯:১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / ৫৩ বার পঠিত

মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতাল-এর লাইসেন্স বাতিলের পর চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে ডায়ালাইসিস করাতে না পেরে কামাল মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কামাল মিয়া রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আদর্শবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে এই হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করিয়ে আসছিলেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, শনিবার তার পূর্বনির্ধারিত ডায়ালাইসিসের সময় থাকলেও হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্বজনরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় হাসপাতাল থেকে সেবা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে সরকার নির্ধারিত অন্য ছয়টি হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে বিকল্প হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রোগীর মৃত্যু হয় বলে দাবি স্বজনদের।

নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী নিয়মিত ডায়ালাইসিস পেতেন। আজ সেবা চালু থাকলে এভাবে মৃত্যু হতো না। ছয়টি শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংকটের কারণে তাদের পরিবারও চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিকল্প হাসপাতালের তালিকা দেওয়া হলেও সেখানে নেওয়ার মতো সময় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :

আদ্-দ্বীনের সেবা বন্ধ, ডায়ালাইসিস না পেয়ে রোগীর মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:১০:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

মগবাজারের আদ্-দ্বীন হাসপাতাল-এর লাইসেন্স বাতিলের পর চিকিৎসাসেবা বন্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে ডায়ালাইসিস করাতে না পেরে কামাল মিয়া (৬৫) নামের এক বৃদ্ধ রোগীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার (১৩ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত কামাল মিয়া রাজধানীর খিলগাঁওয়ের আদর্শবাগ আবাসিক এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। তিনি দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে এই হাসপাতালে নিয়মিত ডায়ালাইসিস করিয়ে আসছিলেন বলে জানা গেছে।

জানা যায়, শনিবার তার পূর্বনির্ধারিত ডায়ালাইসিসের সময় থাকলেও হাসপাতালের কার্যক্রম বন্ধ থাকায় স্বজনরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। এ সময় হাসপাতাল থেকে সেবা দেওয়া সম্ভব নয় বলে জানিয়ে সরকার নির্ধারিত অন্য ছয়টি হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। তবে বিকল্প হাসপাতালে নেওয়ার আগেই রোগীর মৃত্যু হয় বলে দাবি স্বজনদের।

নিহতের স্ত্রী অভিযোগ করে বলেন, তার স্বামী নিয়মিত ডায়ালাইসিস পেতেন। আজ সেবা চালু থাকলে এভাবে মৃত্যু হতো না। ছয়টি শিশুর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট সংকটের কারণে তাদের পরিবারও চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

তিনি আরও বলেন, বিকল্প হাসপাতালের তালিকা দেওয়া হলেও সেখানে নেওয়ার মতো সময় পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।