প্রথম ৫ দিনেই এলো ৫৬৭ মিলিয়ন ডলার
নতুন অর্থবছরের রেমিট্যান্সে জোয়ার
- আপডেট সময় : ০৯:১০:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬
- / ৫৭ বার পঠিত

নতুন অর্থবছরের শুরুতেই প্রবাসী আয়ে ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। জুলাই মাসের প্রথম পাঁচ দিনে দেশে এসেছে ৫৬৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স, যা গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ দশমিক ১ শতাংশ বেশি। ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্যেও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের এ প্রবৃদ্ধি অর্থনীতিতে আশার সঞ্চার করছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, গত ৫ জুলাই একদিনেই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে এসেছে ২১ কোটি ৯৩ লাখ মার্কিন ডলারের রেমিট্যান্স। আর চলতি মাসের ১ থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৫৬৭ মিলিয়ন বা ৫৬ কোটি ৭০ লাখ ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ পরিমাণ ছিল ৪১১ মিলিয়ন বা ৪১ কোটি ১০ লাখ ডলার।
অর্থনীতিবিদদের মতে, নতুন অর্থবছরের শুরুতেই রেমিট্যান্সে এমন প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার বাজারের জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠাতে সরকারি প্রণোদনা, ব্যাংকিং ব্যবস্থার উন্নতি এবং হুন্ডির পরিবর্তে আনুষ্ঠানিক মাধ্যমে অর্থ পাঠানোর প্রবণতা বৃদ্ধির ফলে রেমিট্যান্স প্রবাহ আরও শক্তিশালী হচ্ছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, রপ্তানি আয়ের গতি কিছুটা নিম্নমুখী হলেও প্রবাসী আয় দেশের অর্থনীতিতে আশার আলো দেখাচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা বলেন, রেমিট্যান্স দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস। এই প্রবাহ অব্যাহত থাকলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আরও শক্তিশালী হবে, আমদানি ব্যয় পরিশোধে চাপ কমবে এবং ডলারের বাজারে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, প্রবাসী আয়ের ইতিবাচক ধারার প্রভাবেই ৪৪ মাস পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬ বিলিয়ন ডলারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এছাড়া সদ্য সমাপ্ত ২০২৫-২৬ অর্থবছরেও বাংলাদেশ ইতিহাসের সর্বোচ্চ রেমিট্যান্স অর্জন করেছে।
তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রবৃদ্ধি পুরো অর্থবছর ধরে রাখতে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা আরও সম্প্রসারণ এবং হুন্ডি নিরুৎসাহিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।






















