চৌগাছায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি নিয়ে কর্মশালা
- আপডেট সময় : ০৭:৫৩:১৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
- / ৬৬ বার পঠিত

যশোরের চৌগাছা উপজেলায় জলবায়ু সহনশীল কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং সবজি ও ফুলের ভ্যালুচেইন শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে লার্নিং শেয়ারিং কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকাল ১১টায় উপজেলা পরিষদের হলরুমে রুরাল রিকনস্ট্রাকশন ফাউন্ডেশন (আরআরএফ) বাস্তবায়নে এবং হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।
কর্মশালায় জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় উন্নত জাতের সবজি ও ফুলের বীজ ও চারা ব্যবহার, আধুনিক উৎপাদন কৌশল, বাজার ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং কৃষক-কৃষাণীদের জীবনমান উন্নয়নের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুশাব্বির হোসাইনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা ইসলাম।
আরআরএফের প্রকল্প সমন্বয়কারী আব্দুল মান্নানের সঞ্চালনায় কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের রিজিওনাল ম্যানেজার মুনিরা সুলতানা, যশোর জেলা সিনিয়র কৃষি বিপণন কর্মকর্তা কিশোর কুমার সাহা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দিন, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা কে এম জিয়াউল্লাহ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আনারুল হক, হেইফার ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের প্রোগ্রাম ম্যানেজার তানভীর আহমেদ এবং প্রোগ্রাম অফিসার আব্দুর রহিম।
এছাড়া কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন প্রোডাকশন অ্যান্ড মার্কেটিং ফ্যাসিলিটেটর সুখদেব কুমার রায়, আকাশ চক্রবর্তী, মিঠুন কুমার বিশ্বাস, মৃণাল হালদার, এস এম হাবিব, হিসাব ও প্রশাসনিক কর্মকর্তা আজমালুর রহমান, আলোর সন্ধান নারী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি নাছিমা খাতুন, স্বপ্নকুঁড়ির সভাপতি ফাতেমা খাতুন, প্রত্যাশা নারী কল্যাণ সমবায় সমিতি লিমিটেডের সভাপতি ইসরাত জাহান রিমা, প্রভাতী সমবায়ের সভাপতি রেবেকা খাতুন, একতা সমবায়ের সভাপতি আছমা খাতুন, সততা সমবায়ের সভাপতি রুমা খাতুনসহ বিভিন্ন সমবায় সমিতির নেতৃবৃন্দ।
কর্মশালায় বক্তারা বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বৃদ্ধি, বাজারসংযোগ জোরদার এবং কৃষকদের টেকসই জীবিকা নিশ্চিত করতে সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সমন্বিত উদ্যোগ আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। তারা কৃষকদের উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ এবং জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রযুক্তির বিস্তারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ কৃষকদের সক্ষমতা বৃদ্ধি, উৎপাদনশীলতা উন্নয়ন এবং টেকসই কৃষি ব্যবস্থার বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
























