নড়াইল জেলা প্রশাসক
শুধু সার্টিফিকেট অর্জন নয়, আলোকিত ও ভালো মানুষ হতে হবে
- আপডেট সময় : ০৩:১৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
- / ২৩ বার পঠিত

নড়াইল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণিতে ২০২৫ সালে বৃত্তিপ্রাপ্ত ৭৭ কৃতী শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থীদের সাফল্যের স্বীকৃতি দিতে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) বিদ্যালয় চত্বরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইলের জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মহীউদ্দিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নড়াইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাসেল সরোয়ার। এ সময় বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক আকবর আলী, ধৃতি সুন্দর মল্লিকসহ শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক অমল কান্তি নাগ।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক ড. মোহাম্মদ আবদুল ছালাম শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, জীবনে শুধু ভালো ফলাফল কিংবা সার্টিফিকেট অর্জন করাই মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত নয়। শিক্ষার মাধ্যমে নিজেদের আলোকিত ও ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। জ্ঞান, নৈতিকতা, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে নিজেদের ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে হবে।
তিনি বলেন, একজন শিক্ষার্থীর প্রকৃত সাফল্য তখনই আসে, যখন সে অর্জিত জ্ঞানকে নিজের জীবন ও সমাজের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারে। তাই ভালো ফলাফলের পাশাপাশি শৃঙ্খলা, সততা, দায়িত্ববোধ ও মানবিক গুণাবলি অর্জনের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বলেন, মেধাবী শিক্ষার্থীদের এমন স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করবে। পাশাপাশি অন্য শিক্ষার্থীদের মধ্যেও পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ ও প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরি হবে।
সংবর্ধনা পাওয়া অষ্টম শ্রেণির কৃতি শিক্ষার্থী ফারদিন শাহরিয়ার খানসহ অন্য শিক্ষার্থীরা জানায়, বিদ্যালয় থেকে এমন আয়োজনে তারা অত্যন্ত আনন্দিত ও অনুপ্রাণিত। ভবিষ্যতে পড়ালেখায় আরও মনোযোগী হয়ে নিজেদের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে চায় তারা।
শিক্ষার্থীরা আরও জানায়, জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে জীবন গঠনের বিষয়ে পাওয়া পরামর্শ তাদের নতুন করে উৎসাহিত করেছে। শুধু ভালো ফলাফল নয়, সমাজ ও দেশের জন্য দায়িত্বশীল, সৎ ও মানবিক মানুষ হওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তারা।
বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের এমন আয়োজন শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যেও ইতিবাচক সাড়া সৃষ্টি করেছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কৃতী শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি ও উৎসাহ প্রদান তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষাজীবনে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগাবে।
























