ঢাকা ১১:৫০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

যশোরে ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / ৪০ বার পঠিত

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাবতার পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্রের প্রতিকৃতি অবমাননা এবং গাইবান্ধাসহ সারা দেশে মন্দির ধ্বংসের হুমকির প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিকামী নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। কর্মসূচিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, “দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশি-বিদেশি একটি চক্র মাঝেমধ্যে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষের মাঝে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করে। তবে আমরা যদি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে লাল-সবুজের পতাকার ছায়ায় ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের বিভক্ত করতে পারবে না।”

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

যশোরে ধর্মীয় অবমাননার প্রতিবাদে মানববন্ধন

আপডেট সময় : ০৯:০৯:৪০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহাবতার পুরুষোত্তম শ্রীরামচন্দ্রের প্রতিকৃতি অবমাননা এবং গাইবান্ধাসহ সারা দেশে মন্দির ধ্বংসের হুমকির প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।

কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের আয়োজনে এ প্রতিবাদ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এতে সর্বস্তরের সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে শান্তিকামী নাগরিকরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশ নেন। কর্মসূচিতে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়। এ সময় কর্মসূচিতে একাত্মতা প্রকাশ করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

তিনি বলেন, “দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশি-বিদেশি একটি চক্র মাঝেমধ্যে বাংলাদেশের অসাম্প্রদায়িক মানুষের মাঝে বিভাজন সৃষ্টির চেষ্টা করে। তবে আমরা যদি ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে লাল-সবুজের পতাকার ছায়ায় ঐক্যবদ্ধ থাকি, তাহলে কোনো শক্তিই আমাদের বিভক্ত করতে পারবে না।”

বক্তারা বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত এবং উপাসনালয়ের বিরুদ্ধে হুমকি কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। তারা এ ধরনের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।