ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঝিকরগাছায় মা ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার

যশোর দর্পণ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬
  • / ৪৯ বার পঠিত

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় ১৮ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন শরিফপুর গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী রেবেকা খাতুন (৩০) এবং তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সোহরাব হোসেন।

খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে রেবেকা খাতুনের সঙ্গে তার বোনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিহতের শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি নিয়ে রেবেকা খাতুন ও তার বড় বোন সাফিয়া বেগমের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তবে রেবেকার বড় বোন সাফিয়া বেগম দাবি করেছেন, স্বামী জনি মিয়ার নির্যাতনের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

ট্যাগস :

ঝিকরগাছায় মা ও শিশুপুত্রের মরদেহ উদ্ধার

আপডেট সময় : ০৯:৩৪:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

যশোরের ঝিকরগাছা উপজেলায় ১৮ মাস বয়সী শিশুপুত্রকে সঙ্গে নিয়ে এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলার নাভারন ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন শরিফপুর গ্রামের জনি মিয়ার স্ত্রী রেবেকা খাতুন (৩০) এবং তাদের ১৮ মাস বয়সী ছেলে সোহরাব হোসেন।

খবর পেয়ে ঝিকরগাছা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মা ও শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে। পরে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ দুটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

ঝিকরগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, পৈত্রিক জমিজমা নিয়ে রেবেকা খাতুনের সঙ্গে তার বোনের দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ধারণা করা হচ্ছে, ওই পারিবারিক বিরোধের জের ধরেই তিনি আত্মহত্যার পথ বেছে নিতে পারেন। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিহতের শ্বশুর রবিউল ইসলাম ও শাশুড়ি পরিছন বেগম জানান, পৈত্রিক সম্পত্তি বিক্রি নিয়ে রেবেকা খাতুন ও তার বড় বোন সাফিয়া বেগমের মধ্যে বিরোধ চলছিল। তবে রেবেকার বড় বোন সাফিয়া বেগম দাবি করেছেন, স্বামী জনি মিয়ার নির্যাতনের কারণেই তিনি আত্মহত্যা করেছেন।