মনিরামপুরে সনাতনী পল্লীতে আগুনের খবর মিথ্যা: জেলা পুলিশ
- আপডেট সময় : ০৯:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / ২৩ বার পঠিত

যশোরের মনিরামপুরে সনাতনী পল্লীতে ২৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন বলে জানিয়েছে যশোর জেলা পুলিশ। এ ধরনের গুজব ছড়িয়ে যশোর তথা দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় যশোর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ের কনফারেন্স রুমে সমসাময়িক বিষয় নিয়ে প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের সঙ্গে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস ব্রিফিংয়ে বক্তব্য দেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মোঃ মিরাজুল ইসলাম পিপিএম-সেবা।
তিনি বলেন, যশোর দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের খুলনা বিভাগের একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা। মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় যশোর বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন জেলা হিসেবে পরিচিত। এ জেলায় ইসলাম ও হিন্দু ধর্মাবলম্বী মানুষের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মের অনুসারীরাও বসবাস করেন। দীর্ঘদিন ধরে ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সবাই মিলেমিশে বসবাস করে আসছেন।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বলেন, বর্তমানে কিছু কুচক্রী মহল বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে যশোর জেলাকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা করছে। এরই অংশ হিসেবে ‘যশোর মনিরামপুরে সনাতনী পল্লীতে ২৫টি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ’ সংক্রান্ত একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যশোর জেলায় এ ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। যারা এমন তথ্য প্রচার করেছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ। যশোর জেলা পুলিশ এ ধরনের সংবাদের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন সংবাদ প্রচারের মাধ্যমে সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর যেকোনো অপচেষ্টা প্রতিহত করা হবে। এ ধরনের সংবাদ প্রচারে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে যশোর জেলা পুলিশ বদ্ধপরিকর।
প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়া হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য যাচাই ছাড়া শেয়ার বা প্রচার না করার বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানানো হয়।
এ সময় যশোর জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে মাদকবিরোধী ও কিশোর গ্যাং নির্মূলে সচেতনতার বার্তা দেওয়া হয়—‘মাদকদ্রব্য ত্যাগ করি, কিশোর গ্যাং নির্মূল করি, সুস্থ-সবল জীবন গড়ি।’


























