ঢাকা ১২:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালিয়ায় বৃহদাকার মিষ্টি কুমড়া দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

নড়াইল সংবাদদাতা
  • আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬
  • / ৬৯ বার পঠিত

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী ইউনিয়নের ডহর বল্যাহাটি গ্রামে ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল মিষ্টি কুমড়া স্থানীয় মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এ কুমড়োটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ ভিড় করছেন।

জানা গেছে, গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ কোবাদ সিকদারের বাড়ির আঙিনায় কুমড়োটি উৎপাদন হয়েছে। তার স্ত্রী মোসা. জেসমিন আকতার জুই কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দুটি কুমড়োর বীজ এনে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। নিয়মিত পরিচর্যায় গাছ দুটি বেড়ে ওঠে এবং তাতে দুটি কুমড়ো ধরে।

এর মধ্যে একটি কুমড়োর ওজন হয়েছে ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রাম, যা এলাকায় বিরল ঘটনা হিসেবে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাধারণত বাড়ির আঙিনায় এত বড় কুমড়ো উৎপাদন খুব একটা দেখা যায় না। তাই বিশাল আকৃতির কুমড়োটি দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করছেন।

গৃহিণী জেসমিন আকতার জুই বলেন, “এত মানুষ আগে কখনও আমাদের বাড়িতে আসেনি। সবাই কুমড়োটি দেখতে এসে প্রশংসা করছেন। এতে আমি খুব আনন্দিত। এই কুমড়ো থেকে বীজ সংরক্ষণ করে পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে বিতরণ করব, যাতে তারাও এমন বড় কুমড়ো চাষ করতে পারেন।”

এলাকাবাসীর মতে, সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ ও আধুনিক পরিচর্যার মাধ্যমে এ ধরনের ব্যতিক্রমী ফলন আরও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এতে অনেক কৃষক ও গৃহস্থ ভবিষ্যতে লাভবান হতে পারবেন।

কালিয়ায় বৃহদাকার মিষ্টি কুমড়া দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

আপডেট সময় : ০৯:৩৯:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

নড়াইলের কালিয়া উপজেলার নড়াগাতী ইউনিয়নের ডহর বল্যাহাটি গ্রামে ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রাম ওজনের একটি বিশাল মিষ্টি কুমড়া স্থানীয় মানুষের কৌতূহলের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। ব্যতিক্রমী এ কুমড়োটি দেখতে প্রতিদিনই বিভিন্ন এলাকা থেকে শত শত মানুষ ভিড় করছেন।

জানা গেছে, গ্রামের বাসিন্দা আলহাজ কোবাদ সিকদারের বাড়ির আঙিনায় কুমড়োটি উৎপাদন হয়েছে। তার স্ত্রী মোসা. জেসমিন আকতার জুই কয়েক মাস আগে ঢাকায় এক আত্মীয়ের বাড়ি থেকে দুটি কুমড়োর বীজ এনে বাড়ির আঙিনায় রোপণ করেন। নিয়মিত পরিচর্যায় গাছ দুটি বেড়ে ওঠে এবং তাতে দুটি কুমড়ো ধরে।

এর মধ্যে একটি কুমড়োর ওজন হয়েছে ১৭ কেজি ৪৫০ গ্রাম, যা এলাকায় বিরল ঘটনা হিসেবে আলোচনার সৃষ্টি করেছে। সাধারণত বাড়ির আঙিনায় এত বড় কুমড়ো উৎপাদন খুব একটা দেখা যায় না। তাই বিশাল আকৃতির কুমড়োটি দেখতে প্রতিদিনই আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে উৎসুক মানুষ সেখানে ভিড় করছেন।

গৃহিণী জেসমিন আকতার জুই বলেন, “এত মানুষ আগে কখনও আমাদের বাড়িতে আসেনি। সবাই কুমড়োটি দেখতে এসে প্রশংসা করছেন। এতে আমি খুব আনন্দিত। এই কুমড়ো থেকে বীজ সংরক্ষণ করে পাড়া-প্রতিবেশীদের মধ্যে বিতরণ করব, যাতে তারাও এমন বড় কুমড়ো চাষ করতে পারেন।”

এলাকাবাসীর মতে, সঠিকভাবে বীজ সংরক্ষণ ও আধুনিক পরিচর্যার মাধ্যমে এ ধরনের ব্যতিক্রমী ফলন আরও ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব। এতে অনেক কৃষক ও গৃহস্থ ভবিষ্যতে লাভবান হতে পারবেন।