ঢাকা ০৬:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বাড়ল নানা সুবিধা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর

দর্পণ ডেক্স
  • আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬
  • / ৫৭ বার পঠিত

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০১৫ সালে পেনশন ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে পেনশনের হার বৃদ্ধি, চাকরিকালের শর্ত শিথিল, পারিবারিক পেনশনের সুবিধা সম্প্রসারণ এবং ছুটি নগদায়নের সুযোগ বাড়ানোর মতো সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী পেনশন পাওয়ার ন্যূনতম চাকরিকাল ১০ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ পেনশন হার শেষ মূল বেতনের ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

৫ থেকে ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালের জন্য ধাপে ধাপে পেনশন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়, যেখানে ন্যূনতম ২১ শতাংশ থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়। তবে ৫ থেকে ২৪ বছরের নির্ধারিত সুবিধা সাধারণত বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য—যেমন চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে স্থায়ী অক্ষমতা বা পদ বিলুপ্তির কারণে চাকরি হারানো।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনেও পরিবর্তন আনা হয়। ৬৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ৫০ শতাংশ পেনশন বৃদ্ধি করা হয়। পাশাপাশি ন্যূনতম মাসিক পেনশন ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

গ্র্যাচুইটি হিসাবেও নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। ৫ থেকে ৯ বছর চাকরিকালের ক্ষেত্রে প্রতি ১ টাকা পেনশনের বিপরীতে ২৬৫ টাকা আনুতোষিক নির্ধারণ করা হয়। চাকরির মেয়াদ ৫ বছরের কম হলেও মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে পরিবারকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিধান রাখা হয়।

পারিবারিক পেনশন ব্যবস্থায়ও শর্ত শিথিল করা হয়। বিধবা স্ত্রীর ক্ষেত্রে পুনর্বিবাহ না করার পূর্বশর্ত শিথিল করা হয় এবং প্রয়োজনে মৃত নারী কর্মচারীর স্বামীও পারিবারিক পেনশনের আওতায় আসতে পারেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া অবসরের সময় ছুটি নগদায়নের সীমা ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ১৮ মাস করা হয়, ফলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের এককালীন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়। ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এ প্রজ্ঞাপনের আওতায় সে সময় পিআরএলে থাকা কর্মচারীরাও নতুন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হন।

বাড়ল নানা সুবিধা

সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর

আপডেট সময় : ০৯:৫৩:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরের পর আর্থিক নিরাপত্তা জোরদার করতে ২০১৫ সালে পেনশন ব্যবস্থায় একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনা হয়। এ লক্ষ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপনে পেনশনের হার বৃদ্ধি, চাকরিকালের শর্ত শিথিল, পারিবারিক পেনশনের সুবিধা সম্প্রসারণ এবং ছুটি নগদায়নের সুযোগ বাড়ানোর মতো সংস্কার অন্তর্ভুক্ত করা হয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী পেনশন পাওয়ার ন্যূনতম চাকরিকাল ১০ বছর থেকে কমিয়ে ৫ বছর করা হয়। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ পেনশন হার শেষ মূল বেতনের ৮০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৯০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়।

৫ থেকে ২৫ বছর বা তার বেশি চাকরিকালের জন্য ধাপে ধাপে পেনশন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়, যেখানে ন্যূনতম ২১ শতাংশ থেকে শুরু করে দীর্ঘমেয়াদে ৯০ শতাংশ পর্যন্ত পেনশন পাওয়ার সুযোগ রাখা হয়। তবে ৫ থেকে ২৪ বছরের নির্ধারিত সুবিধা সাধারণত বিশেষ পরিস্থিতিতে প্রযোজ্য—যেমন চাকরিরত অবস্থায় মৃত্যু, মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে স্থায়ী অক্ষমতা বা পদ বিলুপ্তির কারণে চাকরি হারানো।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অবসরপ্রাপ্তদের পেনশনেও পরিবর্তন আনা হয়। ৬৫ বছরের কম বয়সীদের জন্য ৪০ শতাংশ এবং ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সীদের জন্য ৫০ শতাংশ পেনশন বৃদ্ধি করা হয়। পাশাপাশি ন্যূনতম মাসিক পেনশন ৩ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়।

গ্র্যাচুইটি হিসাবেও নতুন কাঠামো নির্ধারণ করা হয়। ৫ থেকে ৯ বছর চাকরিকালের ক্ষেত্রে প্রতি ১ টাকা পেনশনের বিপরীতে ২৬৫ টাকা আনুতোষিক নির্ধারণ করা হয়। চাকরির মেয়াদ ৫ বছরের কম হলেও মৃত্যু বা স্থায়ী অক্ষমতার ক্ষেত্রে পরিবারকে বিশেষ আর্থিক সহায়তা দেওয়ার বিধান রাখা হয়।

পারিবারিক পেনশন ব্যবস্থায়ও শর্ত শিথিল করা হয়। বিধবা স্ত্রীর ক্ষেত্রে পুনর্বিবাহ না করার পূর্বশর্ত শিথিল করা হয় এবং প্রয়োজনে মৃত নারী কর্মচারীর স্বামীও পারিবারিক পেনশনের আওতায় আসতে পারেন বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এছাড়া অবসরের সময় ছুটি নগদায়নের সীমা ১২ মাস থেকে বাড়িয়ে ১৮ মাস করা হয়, ফলে অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের এককালীন আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধি পায়। ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এ প্রজ্ঞাপনের আওতায় সে সময় পিআরএলে থাকা কর্মচারীরাও নতুন সুবিধার অন্তর্ভুক্ত হন।